
আমাদের সম্পর্কে
কাজী আলমগীর-মামুন পরিষদ
একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য, মাদকমুক্ত, আধুনিক সিটি গড়ার লক্ষ্যে।
সম্মানিত জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির সদস্যবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম।
আগামী ২১ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আফতাবনগর জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির ২০২৬-২০২৯ নির্বাচন। উল্লিখিত নির্বাচনে মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে কাজী-মামুন (কাজী আলমগীর-আবদুল্লাহ আল মামুন) অংশগ্রহণ করছে।
আফতাবনগরকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক, নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আফতাবনগরবাসী ও প্রযোজ্য ক্ষেত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সকল কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আফতাবনগরবাসীর অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
ইতিপূর্বে সুদীর্ঘ ১২ বছর দুটি প্যানেল সোসাইটির দায়িত্ব পালন করলেও আফতাবনগরবাসীর চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো অর্জন নেই বা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভ করতে পারেনি। বারবার একই ব্যক্তি বা প্যানেলকে নির্বাচিত না করে গণতন্ত্রের বিকাশে নতুন প্যানেল হিসেবে কাজী-মামুন (কাজী আলমগীর-আবদুল্লাহ আল মামুন) প্যানেলকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে আফতাবনগরের উল্লেখযোগ্য সমস্যা নিরসনের সুযোগ দিন। ইনশাআল্লাহ কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে সচেষ্ট হবো।
ইশতেহার
১গঠনতন্ত্র সংশোধন
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির অনুপযোগী গঠনতন্ত্র সংশোধন করে যুগোপযোগী করা হবে। কোনোক্রমেই যেন দুষ্টচক্র গঠনতন্ত্রের ফাঁকফোকরে ভুয়া সদস্য/ভোটার করা, আর্থিক তছরুপ, স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে না পারে।
২স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
প্রতি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। কোনো রকম স্বেচ্ছাচারী মনোভাব নিয়ে কাজ করা হবে না। কোনো সদস্যকেই গালমন্দ বা হুমকি প্রদান করা বা মব সৃষ্টি করে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করা হবে না।
আফতাবনগরের সমস্যা সমাধানকল্পে সকল সদস্যের মতামত নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো ক্ষেত্রেই লুকোচুরি বা গোপন করা হবে না বা স্বেচ্ছাচারী মনোভাব নিয়ে একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না।
গঠনতন্ত্রের ধারা অক্ষরে অক্ষরে প্রতিপালন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।
৩সকল ফ্ল্যাট মালিককে জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির সদস্য করা
একজন জমির মালিকের মতো ফ্ল্যাট মালিকও পরিমাণে কম হলেও জমির মালিক। তিনিও পরিবার-পরিজনসহ এ সোসাইটিতে বসবাস করবেন। ফলে সোসাইটিতে তাঁর অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি সদস্য হওয়ার দাবিদার। তাছাড়া সদস্য সংখ্যা বেশি হলে যেকোনো ন্যায়সংগত দাবি আদায় করা সহজ হয়। জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল ফ্ল্যাট মালিককে সদস্য করা হবে।
৪সাধারণ সভা আয়োজন
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের ধারা ১০ এর উপধারা (গ) অনুযায়ী প্রতি বছর সাধারণ সভার আয়োজন করা হবে। সাধারণ সভায় সকল সদস্যের অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সোসাইটির এলাকার মধ্যে সাধারণ সভা আয়োজন করা হবে। সাধারণ সভার পূর্বে প্রতিটি সদস্যের নিকট অডিট রিপোর্ট প্রেরণের ব্যবস্থা করা হবে।
৫মশক নিধন ও রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম
নিয়মিত মশা নিধনের লক্ষ্যে লার্ভা ধ্বংস, ড্রেন, নালা ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ কার্যক্রম গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।















