নগরবাসীর জিজ্ঞাসা
আসন্ন জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি নির্বাচন ২০২৬-২০২৯ এর প্রাক্কালে আফতাবনগরবাসীর জিজ্ঞাসা
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের ধারা-১০ এর উপধারা (গ) মোতাবেক “প্রতি বছর অবশ্যই একবার সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।” কেন তা হয়নি?
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের ধারা-১০ এর উপধারা (ঘ) মোতাবেক “কার্যনির্বাহী পরিষদকে সাধারণ পরিষদের সভায় সোসাইটির প্রতি বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও কার্যবিবরণীর প্রতিবেদন পেশ করতে হবে এবং সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।” কেন তা হয়নি?
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের ধারা-২৫ এর উপধারা (ক) মোতাবেক সোসাইটির হিসাব-নিকাশ পরীক্ষার জন্য একটি অডিট কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি বছরে একবার বা একাধিকবার সোসাইটির হিসাব-নিকাশ অডিট করবেন। কেন তা হয়নি?
মনোনীত প্রধান নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব মহোদয়কে ‘মব’-এর ভয় দেখিয়ে কে তাঁকে নির্বাচন পরিচালনা থেকে সরে যেতে বাধ্য করেছে? কে? কে? কে?
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির মধ্যে যে ব্যক্তির কোনো প্লট/ফ্ল্যাট নেই, তথা গঠনতন্ত্রের নিয়মবহির্ভূতভাবে শত শত ব্যক্তি সদস্য/ভোটার হয় কীভাবে?
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের ধারা-১৭ মোতাবেক “সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে কোরাম হবে।” বিগত তারিখের সাধারণ সভায় ১৮০০ সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সমান ১২০০ সদস্য উপস্থিত ছিল না। তাহলে হাত তুলে কীভাবে ৩ বছরের হিসাব একসাথে অনুমোদন করা হলো?
গত ০/৯/২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের সাধারণ সভায় কোরাম না হওয়া সত্ত্বেও কেন জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের ধারা-১৭ অনুসরণ করে পরবর্তীতে সাধারণ সভা অনুষ্ঠান করা হলো না? এটা কি স্বেচ্ছাচারিতা নয়?
দীর্ঘ নয় বছরে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়নি কেন?
কোথায় আফতাবনগরবাসীর কবরস্থান, কাঁচাবাজার?
